The Bangladesh Today | Uniting people everyday

ঢাকা শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২

  • ‘দেশে আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না’ প্রধানমন্ত্রীর জন্যই সারাদেশে শান্তির সুবাতাস বইছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার ‘ত্বরিৎ’ আবেদন করেছে ইউক্রেন বিএনপির বক্তব্য ও রডের মাথায় জাতীয় পতাকা একসূত্রে গাঁথা: তথ্যমন্ত্রী লঘুচাপ সৃষ্টির পূর্বাভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টি পুতিনকে ‘রক্তপিপাসু’ বললেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পাবনায় কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে যুবককে হত্যা দুর্গাপূজার সাথে মিশে আছে চিরায়ত বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি: রাষ্ট্রপতি মোল্লাহাটে শিশু কিশোর কিশোরী কার্যালয়ের যুগপূর্তি অনুষ্ঠিত বিএনপির মিথ্যাচারে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী
  • স্বর্ণ কেনা-বেচায় বাজুসের কঠোর নির্দেশনা

    স্বর্ণ কেনা-বেচায় বাজুসের কঠোর নির্দেশনা
    ফাইল ছবি

    দেশের জুয়েলারি শিল্পে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, শৃঙ্খলা আনা, ব্যবসার মানোন্নয়ন এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সতর্ক করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

    এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩ সেপ্টেম্বর সারা দেশে বাজুস সদস্যদের মাঝে ‘স্বর্ণ ক্রয় সতর্কীকরণ নোটিশ’ জারি করেছে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন এন্টি স্মাগলিং অ্যান্ড ল এনফোর্সমেন্ট। সব প্রকার সোনা ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতা ও বিক্রেতাকে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য সংশ্লিষ্টদের বিনীত অনুরোধ জানিয়েছে বাজুস।

    সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন এন্টি স্মাগলিং অ্যান্ড ল এনফোর্সমেন্টের চেয়ারম্যান এনামুল হক খান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    সারা দেশে জুয়েলার্সদের দেওয়া সতর্কীকরণ নোটিশে বাজুস বলেছে, বাজুস সদস্যরা প্রয়োজনের তাগিদে দেশি-বিদেশি বা পুরাতন-নতুন স্বর্ণালঙ্কার কিনে থাকেন। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে নানাবিধ আইনি জটিলতার সম্মুখীন হন। একাধিকবার সতর্ক করা সত্ত্বেও কোনো কোনো ব্যবসায়ী পুরাতন বা ব্যাগেজ রুলের স্বর্ণ ক্রয় করে নানারকম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

    এ ধরনের সমস্যা থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে কিছু নিয়ম-কানুন অনুসরণ করতে নির্দেশনা দিয়েছে বাজুস। নির্দেশনাগুলো হলো: বিক্রেতার জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি থেকে নিজ দায়িত্বে উভয় পাশের ফটোকপি রাখতে হবে; বিক্রেতার বিক্রয়কৃত স্বর্ণালঙ্কারের উৎস সম্পর্কে জানতে হবে; বিক্রেতার স্বর্ণালঙ্কারের ক্রয় রশিদের কপি থাকতে হবে; মূল মালিক ব্যতীত কোনো প্রতিনিধির কাছ থেকে অলঙ্কার কেনা যাবে না।

    ব্যাগেজ রুলের আওতায় আনা স্বর্ণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে যেসব সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে: বিক্রেতার পাসপোর্টের মূল কপি থেকে নিজ দায়িত্বে ফটোকপি করে রাখতে হবে; বিক্রেতা যে দেশ থেকে স্বর্ণ নিয়ে এসেছেন সেই দেশের ভিসার কপি এবং এক্সিট ও এন্টির সিলের কপি রাখতে হবে (মূল কপি থেকে নিজ দায়িত্বে ফটোকপি করে রাখতে হবে, এক্ষেত্রে বিক্রেতার কাছ থেকে উল্লেখিত ডকুমেন্টের কোনো ফটোকপি নেওয়া করা যাবে না); বিক্রেতার জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি থেকে নিজ দায়িত্বে উভয় পাশের ফটোকপি রাখতে হবে।

    এছাড়া প্রকৃত মালিকের কাছ থেকে স্বর্ণ কিনতে হবে; এয়ারপোর্টে ডিক্লিয়ারেশন বা ট্যাক্সের আওতায় থাকলে ট্যাক্স প্রদানের ডকুমেন্ট (মূল কপি) সংরক্ষণ করতে হবে; প্রয়োজনে বিক্রেতার পরিচয় যাচাই-বাছাই করতে হবে; পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ট্যাক্স পে (পিওর গোল্ড ক্রয়ের ক্ষেত্রে) একই নাম, ঠিকানা আছে কিনা, তা যাচাই করে নিতে হবে।

    একজন যাত্রী বিদেশ থেকে দেশে আগমনকালে ব্যাগেজ রুলের আওতায় পণ্য আনার যে সুবিধা পায় তা তার ব্যক্তিগত বা পরিবারের সদস্যদের ব্যবহারের জন্য। তবে অর্থের প্রয়োজনে পণ্যটি বিক্রি করার ইচ্ছা পোষণ করলে উল্লেখিত তথ্যাদি বা ডকুমেন্ট প্রাপ্তি সাপেক্ষে সেই স্বর্ণ কেনা যাবে। সকল ক্ষেত্রে ক্রয় রশিদ দিতে হবে এবং বিক্রেতার স্বাক্ষরযুক্ত ক্রয় রশিদের কপি নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ৩ (তিন) বছর সংরক্ষণ করতে হবে।

    বিক্রেতা যদি বর্ণিত তথ্য দিতে না পারেন, তাহলে বুঝতে হবে সেটা অবৈধ স্বর্ণ। তাই এ ধরনের বিক্রেতার কাছে থেকে স্বর্ণ ক্রয় করা থেকে বিরত থাকতে হবে ব্যবসায়ীদের। বার বার সতর্ক করার পরও কোনো জুয়েলারি ব্যবসায়ী যদি অবৈধ স্বর্ণ কিনে আইনি ঝামেলার সম্মুখীন হলে বাজুস তাকে কোনো সহযোগিতা করবে না।


    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন