The Bangladesh Today | Uniting people everyday

ঢাকা শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২

কঙ্গনার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ‘সেন্সরের আবেদন’ সুপ্রিম কোর্টে

কঙ্গনার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ‘সেন্সরের আবেদন’ সুপ্রিম কোর্টে
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ছবি: সংগৃহীত

বলিউডে বিতর্কের রানি হিসেবে পরিচিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্কিত মন্তব্য করেন অভিনেত্রী। এর জেরে তাকে নিষিদ্ধ করেছে টুইটার কর্তৃপক্ষ।

এবার কঙ্গনার অন্যান্য সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সব পোস্ট সেন্সর করতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়েছে।

সে বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে নির্দেশনা চেয়ে আইনজীবী চরণজিৎ সিং চন্দর পাল আবেদনটি করেন।

সেখানে বলা হয়, আইটি মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশ কর্তৃপক্ষ কঙ্গনা রানাউতের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেবে।

সম্প্রতি কৃষক আইন নিয়ে কঙ্গনার করা বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে এ আবেদন করা হয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ‘অভিনেত্রীর মন্তব্যগুলো কেবল আপত্তিকর ও নিন্দাজনকই নয় বরং দাঙ্গা সৃষ্টিকারী, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিপ্রায়ে করা, মানিহানিকর। সেই সঙ্গে মন্তব্যে শিখদের সম্পূর্ণরূপে দেশবিরোধী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

‘এটি শিখদের হত্যাকেও ন্যায্যতা দেয়। মন্তব্যটি সম্পূর্ণরূপে আমাদের দেশের ঐক্যের পরিপন্থি এবং অভিনেত্রীর আইনে কঠোর শাস্তি প্রাপ্য। এগুলোকে এক পাশে সরিয়ে দেয়া যাবে না বা অজুহাত দেয়া যাবে না।’

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের তিনটি কৃষি বিল প্রত্যাহার প্রসঙ্গে মুখ খুলেছিলেন কঙ্গনা। বরাবর বিজেপি ঘেঁষা সদ্য পদ্মশ্রী প্রাপ্ত অভিনেত্রী কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কৃষি বিল প্রত্যাহারের ঘটনায় মোটেও খুশি হননি। কৃষি বিল প্রত্যাহার প্রসঙ্গে কঙ্গনা ‘জিহাদী দেশ’, ‘খলিস্তানি জঙ্গি মতো শব্দ ব্যবহার করেছিলেন। আন্দোলনরত কৃষকদের ‘খলিস্তানি জঙ্গি’ বলে অভিহিত করেছিলেন। কিষাণ মোর্চার লাগাতার আন্দোলনকে ‘খলিস্তানি আন্দোলন’ বলেও আখ্যা দিয়েছিলেন কঙ্গনা রানাউত।

কঙ্গনা এই বিতর্কিত ‘খলিস্তানি’ মন্তব্যের জেরে শিখ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে বলে করেন শিখ সম্প্রদায়ের বেশ কিছু মানুষজন। তাই সাবারবান খার থানায় কঙ্গনার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিল দিল্লি শিখ গুরুদুয়ারা ম্যানেজমেন্ট কমিটি।