The Bangladesh Today | Uniting people everyday

ঢাকা শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১

অভিনেতা ড. ইনামুল হক আর নেই

অভিনেতা ড. ইনামুল হক আর নেই
প্রয়াত অভিনেতা ড. ইনামুল হক। ছবি: সংগৃহীত

একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা, নাট্যকার, নির্দেশক ইনামুল হক মারা গেছেন।

সোমবার দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর রাজধানীর ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়ার পর সাড়ে ৩টায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম।

ইনামুল হকের বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তার স্ত্রী লাকী ইনামও একজন অভিনেত্রী, নির্দেশক। তাদের দুই মেয়ে হৃদি হক এবং প্রৈতি হক।

আহসান হাবিব নাসিম বলেন, ‘ড. ইনামুল হক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। দুপুরে বাসাতেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, পালস পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন। ’

নাসিম আরও জানান, ড. ইনামুল হকের মরদেহ এখন কোয়ান্টামে নেওয়া হচ্ছে। সেখানে গোসল করানো শেষ হলে বেইলী রোডে নেওয়া হবে। এরপর সেখান থেকে তার মরদেহ শিল্পকলা একাডেমিতে রাখা হতে পারে।

নাট্যকার হিসেবে ড. ইনামুল হক'র পথচলা শুরু হয়েছিল ১৯৬৮ সালে। তার প্রথম লেখা নাটকের নাম 'অনেকদিনের একদিন'। আবদুল্লাহ আল মামুন নাটকটি প্রযোজনা করেছিলেন টেলিভিশনের জন্য। টেলিভিশনের জন্য ৬০টি নাটক লিখেছিলেন তিনি।

তার লেখা আলোচিত টিভি নাটকের মধ্যে রয়েছে 'সেইসব দিনগুলি' (মুক্তিযুদ্ধের নাটক), 'নির্জন সৈকতে' ও 'কে বা আপন কে বা পর'।

মঞ্চের জন্য তার লেখা প্রথম নাটকের নাম 'বিবাহ উৎসব'। এটি লিখেছিলেন উদীচীর জন্যে। তার নিজ দল নাগরিক নাট্যাঙ্গনের জন্য প্রথম লেখা নাটকের নাম 'গৃহবাসী'। ১৯৮৩ সালে লেখা হয় নাটকটি। ঢাকার মঞ্চে বেশ আলোচিত নাটক এটি।

ড. ইনামুল হক অভিনয় জীবন শুরু করেন ১৯৬৮ সালে। তার প্রথম অভিনীত টেলিভিশন নাটক ছিল 'মুখরা রমণী বশীকরণ'। এটি প্রযোজনা করেছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার।