The Bangladesh Today | Uniting people everyday

ঢাকা শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১

করোনায় প্রাণ গেলো আরও ১১ জনের

করোনায় প্রাণ গেলো আরও ১১ জনের
ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৭ হাজার ৬৯৯ জনে। ১১ জনের মধ্যে পুরুষ দুইজন ও নারী ৯ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ৯ জন ও বেসরকারি হাসপাতালে দুইজন মারা যান। মৃত্যুহার ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

এই সময়ে নমুনা পরীক্ষায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ৫৯৯ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৫ লাখ ৬২ হাজার ৯৫৮ জন।

সোমবার (১১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা পরিস্থিতি সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৬৩৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ২৪ হাজার ৪৬৭ জন। সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮২১টি ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ২৩ হাজার ৬৪২টি এবং নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৩ হাজার ১৯৩টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯৯ লাখ ৭৫ হাজার ৩৮৯টি।   

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ১১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছেন সাতজন, খুলনা বিভাগে একজন, বরিশাল বিভাগে দুইজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজন রয়েছেন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন নয় জন। আর বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান দুইজন।     

মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে একজন এবং ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।  

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ১৮৭ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৩৯২ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন তিন লাখ ৮৩ হাজার ৪০৬ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন তিন লাখ ৪৪ হাজার ৩৫০ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৩৯ হাজার ৫৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।